about

about

Total Pageviews

Popular Posts

Blog Archive

Search This Blog

জীবনানন্দ দাশ ও বনলতা সেন-- ওয়াহিদুুুর রহমান

Share it:
নিজস্ব লেখকঃ
রুপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতা 'বনলতা সেন 'যার ২টি পংক্তি নাটোরকে বিখ্যাত করে তুলেছে।
জীবনানন্দদাশের জীবনীকারদের মধ্যে কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারেননি যে কবি কখনো নাটোর গিয়েছিলেন কিনা?
তবে তাঁর কবিতার পংক্তি ২টি বাংলা সাহিত্যের আনাচে কানাচে, অলিতে গলিতে বিরাজমান সকল সাহিত্যিক ও পাঠকদের মনে আলোড়ন তুলেছে। জীবনানন্দ দাসের জীবন ছিলো অগোছালো ও এলেবেলে। সংসার জীবনে তিনি দাম্পত্য সুখ পাননি। চাচাতো বোনের সাথে প্রেমের বিরহজ্বালা, স্ত্রীর অবহেলা অনাদরে নিমজিজত কবি লিখেছিলেন

'এতদিন কোথায় ছিলেন
পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে বললেন নাটোরের বনলতা সেন '

উল্লেখ্য, কবির মনন ও মানসে গড়ে উঠা কল্পনিক চরিত্র বনলতা সেন।
জীবনানন্দ দাস তার কর্মজীনেও ছিলেন অসফল। তার চাকুরীরও কোন স্থিরতা ছিল না। কিছুদিন পর পরই তাকে চাকুরী হারাতে হয়েছে। নতুন চাকুরী খুজতে হয়েছে। ইংরেজী সাহিত্যে এম এ পাশ করার পরও তিনি তিনি ইংরেজ আমলে ভালো কোন চাকুরী পাননি। অপর দিকে সংসারে বিরাজ করছিল দারুণ অর্থকষ্ট ও নিদারুণ অশান্তি।
ক্লান্ত হতাশ দিশেহারা কবি তাই লিখেছেন ___
"আমি ক্লান্ত প্রাণ এক চারিদিকে সমুদ্র সফেন
আমারে দুদন্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন। '

মস্তবড় সংসারের এক কিনারে সে পড়ে থাকে, ২৭ -২৮ বছরের বেকার যুবকটি 'পড়ে থাকে। কেউ বা কেরানিগিরি করে ৩০টাকা পায়। কেউ বা মাস্টারি কারে ৫০টাকা আনে শিক্ষাদীক্ষা ও যোগ্যতা এদের প্রায় সকলের থেকেই অনেক বেশি থাকলেও কোনো স্থায়ী চাকরি যুবকটির কপালে জুটল না। স্রোত আসে প্রত্যেক মানুষেরই জীবনেই। বৈষয়িক সচ্ছলতা উন্নতি ও সাংসারিক আড়ম্বরের দিকে তাকে বহন করে নিয়ে  যাবার জন্য নৃপেনের জীবনের সে স্রোত কবে যেন এসে চলে গিয়েছে। তার কোলাহল এখন অনেক দূরে। প্রতিধ্বনির মতো, এই ক্ষীণ শব্দটুকুও যেন শিগগিরই মিলিয়ে যাবার মুখে স্রোত তাকে বড় প্রবঞ্চিত করে চলে গেছে।
সমস্ত সকালটা নৃপেনকে বড় ব্যাপৃত থাকতে হয়। বছর দুই হল সুচারু একটা হাইস্কুলের মাস্টারি নিয়েছে। মাসে ৭০ টাকা পায়। সুচারুই খুবই চারু একেবারে ভোরবেলা সবচেয়ে আগে সে এসে হাজির হয়, রোজ।এসে বলে -----'আমি যখনই আসি নৃপেন তখনই দেখি তুমি চুপচাপ চেয়ারা বসে রয়েছে। কখন যে ঘুমোও কখন জাগো কিছু বুঝবার জো নেই। বলেই সুচারু কাজ নিয়ে বসে। বলে __আমি যখনই আসি নৃপেন তখনই দেখি তুমি চুপচাপ চেয়ারে বসে রয়েছে। কখন যে ঘুমোও কখন জাগো কিছু বুঝবার জো নেই। 'বলেই সুচারু কাজ নিয়ে বসে।

বলে --'এ চেয়ারটা আর আর মেরামত করা হয়ে উঠল না, দুটো তো চেয়ার তোমার ঘরে, দুটোরই এই দশা। 'ভাঙাচোরা দীনদরিদ্র চেয়ারটার দিকে একবার আক্ষেপ করে তাকায় সুচারু তারপর সন্তপূর্ণ ধীরে ধীরে বসে পড়ে বলে --'দিন দু
দিও মা সিদ্ধেশ্বরী,দিন দিও,
Share it:

জীবনের কথা

Post A Comment:

0 comments: