about

about

Total Pageviews

Popular Posts

Blog Archive

Search This Blog

এমপি ডা.শিমুল এর মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বাণী-- চাঁপাই অনুসন্ধান ডটকম

Share it:

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
আমাদের জাতীয় চেতনায় বিশাল এক ঝাঁকুনি দিয়ে সম্বিৎ ফেরানো জরুরী।
কিছু বিষয় আমাদের মগজে গেঁথে নেয়া প্রয়োজন।
★ পশ্চিম পাকিস্তানের বর্বর সামরিক শাসকদের নিষ্পেষন, শোষনের প্রতিবাদ,প্রতিরোধের ধারায় আন্দোলন, সংগ্রামের পথ ধরে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

★এই দেশ মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ লড়াই আর আত্মত্যাগে গড়া। আর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে সর্বোতভাবে সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে পাশে ছিল মুক্তিকামী জনসাধারন।

★ এই মুক্তিযুদ্ধে আমাদের জঘন্যতম শত্রু ছিল পাকিস্তানী বাহিনী ও ততোধিক জঘন্য এদেশীয় দালাল জামায়াতে ইসলামী সহ ধর্মীয় ভন্ডদের দল।  যারা এদেশের ন্যায্য অধিকার আদায়ে পাশে তো থাকেইনি উল্টো পাকিস্তানী শোষকদের পক্ষ নেয়।  শক্তিশালী শোষকের পক্ষ নেয় ঈমান, বিবেক, আত্মসম্মান খুইয়ে। এরাই গঠন করে রাজাকার, আলবদর, আল শামস নামে খুনিচক্র।  নির্দিধায় হত্যা,খুন, ধর্ষন করতে নেমে পড়ে নিরিহ নিরস্ত্র সাধারন মানুষের উপর।
এসব জঘন্য কাজে যারা জড়িত ছিল সেই রাজাকারদের প্রজন্ম জানে না ধর্মের নামে তাদের বাবা, দাদাদের কুৎসিত চেহারা। 
তাদের পূর্বপুরুষ যে কতটা ভন্ড তা রাজাকার প্রজন্ম জানে না বা তাদের দুশ্চরিত্র লম্পট অগ্রজরা তাদের আড়াল করে রেখেছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে, নিজেদের জঘন্য ভূমিকা আড়াল করেছে। ঠিক পাকিস্তানী ধারায় ধর্মীয় ভন্ডামীতে প্রজন্মকেও গড়ে তুলেছে এরাই।
এই রাজাকার প্রজন্মকে তাদের পূর্ব পুরুষের ঘৃণিত পাপের কথা জানাতে হবে তাদের নিজেদের ঘৃনিত পরিচয় চিনিয়ে দিতে। তারা যে বাঙালী জাতির সবচেয়ে ক্ষতি করা সত্তেও সাধারণ ক্ষমায় এদেশে আশ্রিতের পর্যায়ে সেটা তাদের  স্পষ্ট করে জানা থাকা উচিত। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করে এই দেশে তারা লজ্জাশরমের মাথা খেয়ে এদেশে পড়ে আছে পাকিস্তান প্রত্যাখান করায় কারণ পাকিস্তান তাদের নেয় না। দূর্ভাগারা পাকিস্তানপ্রীতি দেখায় কিন্তু পাকিস্তান তাদের নাগরিকত্ব স্বীকারও করে না। পাকিস্তানের গোলাম হয়ে এরা এদেশে ঘৃণিত রাজাকার পরিচয়েই বড় হয়।
রাজাকার প্রজন্ম এই  অভিশপ্ত পরিচয়েই পরিচিত হবে বাংলাদেশে। এদেশে তারা অবাঞ্চিত। শুধুই আশ্রিত।

★ আমাদের অস্তিত্বের যুদ্ধে পাকিস্তানের পর চরম বৈরী ছিল যুক্তরাষ্ট ও চীন ও সৌদিআরব।  স্বাধীনতার পর পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, চীন স্বীকৃতি দিলেও সৌদিআরব গো ধরে থাকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ।
এই বৈরী রাষ্ট্রগুলির বিপরীতে বিপদের বন্ধু হিসাবে পাশে দাঁড়িয়ে সবদিক থেকে  সাহায্য সহযোগীতা দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধে সার্বিকভাবে আমাদের পাশে থাকা বন্ধু রাষ্ট্র ছিল ভারত। এর পরেই ত্রাতার ভূমিকা ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন বা রাশিয়া, আফগানীস্তান, ইরাক, ভূটান ,  কিউবা সহ গুটিকতক দেশ।
 এই দেশগুলো আমাদের অস্তিত্বের বন্ধু। এটি সবার আগে স্মরণ করতে হবে কৃতজ্ঞচিত্তে চিরকাল।   
★ মুক্তিযুদ্ধ ছিল দলমত নির্বিশেষে সবার যুদ্ধ। বঁঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামীলীগ ছিল ৭০ সালের নির্বাচনে নিরংকুশ সংখ্যাগড়িষ্ঠ হিসাবে জনগনের  ম্যান্ডেট পাওয়া  মুল দল। অথচ তাদের বঞ্চিত করে ক্ষমতা নিজেদের হাতে রাখার অপচেষ্টাকে রুখে দিতেই অবধারিত ভাবে চলে আসে মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামীলীগ। এখানে আওয়ামীলীগ ঐতিহাসিক দায়ীত্ব পালন করে। ২৫ শে মার্চের কালরাত্রিতে  অতর্কিতে হামলা করে পশ্চিম পাকিস্তানীদের দুরভিসন্ধির জবাব দেয় আওয়ামীলীগ। সেই রাত্রেই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরেই বিশ্বের কানে পৌছে যায় একটি নতুন স্বাধীন দেশের অভ্যুদয় বার্তা।  জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।  পরের মাসেই আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে হয় বাংলাদেশের বিপ্লবী সরকার। ১৭ই এপ্রিল কুষ্টিয়ার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার। শপথ নেয়া হয় শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে দেশকে শত্রুমুক্ত করার। শুরুহয় সর্বাত্মক প্রতিরোধ যুদ্ধ। চলে নয়মাস। ১৬ই ডিসেম্বর শত্রুদের আত্মসমর্পন এর মধ্যে দিয়ে চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।
উপরোক্ত ঐতিহাসিক ভিত্তির উপর দাঁড়ানো বাংলাদেশ।
এটিকে কোন অবস্থাতেই বিস্মৃত বা বিভ্রান্ত বা একচুল বিচ্যুত হবার সুযোগ নেই।
এদেশ মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ, মুক্তিকামী সাড়ে সাত কোটি বাঙলী জাতির স্বপ্নের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মূল ধারায় বিকশিত হবে।   যুগের পর যুগ,  প্রজন্মের পর প্রজন্মের হৃদয়ে বাংলাদেশ তার আরো সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
Share it:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

Post A Comment:

0 comments: