নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- 🔍মীর🔎
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর এলাকাই রাস্তার কাজে অনিয়ম এর অভিযোগ উঠেছে। উক্ত রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইট খুয়া, পুরাতন পিচ ও পাথর। রাস্তার কাজের অনিয়ম দেখে এলাকার জনগণ তিনাদের ভালভাবে কাজ করতে বললে ঠিকাদার পক্ষ শুকচান ও মুকুলের লোকজন পালটা হুমকি ধামকি দিচ্ছেন বলে জানান স্থানীয় কিছু ব্যক্তি। দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার খাইরুল ইসলাম কে বিষয় টি অবহিত করলে তিনি শুর পালটিয়ে বলছেন যেভাবে করছে সেভাবে করতে দাও। রাস্তার কাজের অনিয়ম দেখে বিষয় টি দাইপুখুরিয়ার ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব আতিকুল ইসলাম জুয়েল কে জানানো হলে তিনি ঘটনা স্থানে উপস্থিত হয়নি বা কোন পতিক্রয়া জানান নি।
এখন সাধারণ জনগনের প্রশ্ন সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট করছেন রাস্তার কাজের জন্য? কিন্তু রাস্তায় চলছে অনিয়ম ও দুর্নীতি, তাহলে এইভাবে রাস্তার কাজ না করাই ভাল হবে বলে মন্তব্য করেন কিছু স্থানীয় বাসিন্দা। সাধারণ
জনগনের এখন একটাই প্রশ্ন এই দুর্নীতির শেষ কোথাই? গ্রামের অনেকেই জানাই চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম ও ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার খাইরুল ইসলাম চুপি চুপি ঠিকাদার শুকচান ও মুকুলের কাছে মোটা অংকেত টাকা ঘুষ খেয়ে চুপ করে রয়েছেন। বার বার চেয়ারম্যান মেম্বারদের অবগত করা হলেও মিলছে না তাদের কোন সারা শব্দ। এ বিষয়ে উক্ত রাস্তার কাজের ঠিকাদার শুকচান ও মুকুলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেস্টা করলে ঠিকাদার শুকচান মোবাইল রিসিব করেনি।
বাংলাদেশ সরকার রাস্তার উন্নয়নকাজের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও এই সব অসাধু চক্র ৭০% রাস্তার কাজ করছে না বলে জানান স্থানীয় কিছু বাসিন্দা। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন আমাদের এই রাস্তায় সব কিছু পুরাতন মালামাল দিয়ে কাজ করা হচ্ছে আর এই দুর্নীতির জন্য বেশিদিন টিকছে না কোনই রাস্তা। কিছুদিন যেতে না যেতে অকেজ হয়ে পরছে কোটি কোটি টাকা দিয়ে বানানো এই সব রাস্তা।
শুধু এই দাইপুখিরিয়া ইউনিয়নেই নয় জেলার বিভিন্ন যায়গাতে এই ভাবে অনিয়ম দুর্নীতি করে করা হচ্ছে রাস্তার কাজ আর এই দুর্নীতির সাথে জড়িত জেলার অনেক বড় বড় সিন্ডিকেট সহ সরকার দলীয় কিছু টেন্ডারবাজ। এদের প্রতিহত করার ইচ্ছা স্থানীয় বাসিন্দাদের থাকলেও কেউ মুখ খুলছেন না টেন্ডারবাজদের ভয়ে।
বর্তমানে দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর এলাকাই উক্ত রাস্তা মেরামতকারীদের সাথে স্থানীয় কিছু ব্যক্তিদের চলছে তর্ক বিতর্ক।
ঠিকাদার শুকচান ও মুকুল এর কর্মচারীরা স্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে করছেন তর্কবিতর্ক। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সে ভাবেই দুই নাম্বারী করে কাজ করেই যাচ্ছে ঠিকাদার শুকচান ও মুকুল।

Post A Comment:
0 comments: