about

about

Total Pageviews

Popular Posts

Blog Archive

Search This Blog

আমি গরিবের এতিমদের পাশে এ ভাবেই থাকতে চাই-- এমডি ইলিয়াস কুদ্দুস

Share it:

গরিব ও দুস্থ অসহায় মানুষের বন্ধু এমডি ইলিয়াস কুদ্দুস চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার রহনপুর পৌর এলাকার ডাক বাংলা গ্রামে বেড়ে ওঠা এক উদ্যমী যুবক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এমডি ইলিয়াশ কুদ্দুস। তিনি ছুটে চলেন মানবিকতার আহ্বানে। ছুটে চলেন সময়ে অসময়ে, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে এলাকাসহ বনবাদারের পথে পথে। যদি পান মানুষের অসহায়ত্বের সন্ধান। কেউ হয়তো বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েও টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না, কেউবা আবার সন্তানদের স্কুল-কলেজে ভর্তি করাতে পারছেন না।
কেউ শীতের বাতাসে হাড় হিম হয়ে পরে থাকেন জড়সড় হয়ে কিংবা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাতে জর্জরিত হয়ে উদ্বাস্তুর মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন পথে প্রান্তরে। আর এসব মানুষের পাশেই সৃষ্টিকর্তার পাঠানো দূতের মতো সাহায্য নিয়ে হাজির হন এই ইলিয়াশ কুদ্দুস। অসহায় মানুষগুলোর হাতে তুলে দেন তাই আয় করা কিছু অর্থ। কিন্তু, সকল ভালো কাজেরই শুরুতে যেমন বাধা আসে, তেমনই এমডি কুদ্দুসেরও কাজেও বাধা এসেছিল। সমাজ তথা আশপাশের লোকজন তাকে পাগল ভাবতে শুরু করেছিল, শুরু করেছিল নানাভাবে উপহাস। কিন্তু বড়ভাই ফিরোজের উৎসাহে তিনি এগিয়ে চলেন আপন গন্তব্যে। গড়তে থাকেন এক মানবিক ইলিয়াশ কুদ্দুসের ভিত্তি।
কথা হয় মানবিকতার ফেরিওয়ালা ইলিয়াশ কুদ্দুসের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমে কিছু এলাকার যুবকদের মাধ্যমে অসহায় মানুষগুলোর অবস্থা কি তা শুনি এবং তাদের হাতে সাহায্য পৌঁছে দিই। যার ঘর নেই তাকে ঘর করে দিই, যার চিকিৎসার প্রয়োজন তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। এ ছাড়াও অনেকে আছেন, যাদের ছেলেমেয়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছে না, তাদের ভর্তির ব্যবস্থা করি। বন্যা কিংবা শীতে অসহায়দের মাঝে খাবার এবং শীতবস্ত্র বিতরণ করি। অসহায় মানুষগুলোর মুখে তৃপ্তির হাসিকে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিদান উল্লেখ করে নিজের অনুভূতি বর্ণনা করতে গিয়ে অনেক উদাহরণের মধ্যে বেতকান্দির ৩৫ বছরের বৃদ্ধ মার উদাহরণ টেনে বলেন, ‘৩৫ বছরের এক মার পেটে যখন টিউমার ছিল এবং অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা করাতে পারছিল না। তখন আমি তাদের সেই অসহায়ত্বের কথা ফেসবুকে মাধ্যমে জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে অর্থ সহায়তার প্রদান করি।
একসময় রাজশাহীর একটি হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা করিয়ে ভালো করে আনি। এখন যখন দেখি সে, আরও দশটা মায়েদের মতো সংসারের সব কাজ করতে পারছে । তখন আমার হূদয় যেন ভরে ওঠে পরিপূর্ণতার অশ্রুতে।
বাকী জীবন যেন মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে পারেন সেজন্য তিনি সকলের দোয়া চান।
Share it:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

Post A Comment:

0 comments: